আজকের আলোচনার বিষয়ঃ কন্ট্রোল চার্টের সুবিধা ও অসুবিধা। যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর স্ট্যাটিসটিক্যাল কোয়ালিটি কন্ট্রোল এর অন্তর্গত।

কন্ট্রোল চার্টের সুবিধা ও অসুবিধা (Advantages and disadvantages of control chart)
কোন উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রসেসকে নিয়ন্ত্রণের জন্য কন্ট্রোল চাটই হচ্ছে প্রধান উপায়, ক-ন্ট্রোল চার্ট হচ্ছে একটি পরিসংখ্যান টুল (Statistical tool), যা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় প্রসেসকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এর সাহায্যে স্রব্যের গুণগত মানের তারতম্য পরিমাপ করা যায় এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দ্রব্যের গুণগত মান উন্নয়ন করা যায়।

কন্ট্রোল চার্টের সুবিধাসমূহ (Advantages) :
কন্ট্রোল চার্ট ব্যবহার করে নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো পাওয়া যায়-
১. উৎপন্ন দ্রব্যের গুণগত মান বজায় রাখা যায় এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করা যায়।
২। উৎপন্ন দ্রব্যের প্রতিরোধযোগ্য তারতম্যের মাত্রা কমানো যায়।
৩। উৎপাদিত দ্রব্যের গুণগত মানের তারতম্যের পরিমাণের পূর্ব সংকেত পাওয়া যায়।
৪। গুণগত মান বজায় রাখার কোন ব্যবস্থা গ্রহণের নির্ভরযোগ্য কারণ বা ভিত্তি পাওয়া যায়।
৫। কন্ট্রোল চার্টের সঠিক ব্যবহারে পরীক্ষণ ও পরিদর্শন খরচ হ্রাস পায়
৬। উৎপাদনের সময় যে সমস্ত অসুবিধা দেখা দেয় তাদের অবস্থান জানা যায়।
৭। কন্ট্রোল চার্টের সাহায্যে প্রব্যের গুণগত মানের স্থায়ী সচিত্র রেকর্ড পাওয়া যায়।
৮। কন্ট্রোল চার্ট কোন কারখানার উৎপাদন ও পরিদর্শন সম্পর্কে মৌলিক ধারণা দেয়।
৯। মেশিনের গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

কন্ট্রোল চার্টের অসুবিধাসমূহ (Disadvantages) :
১। নমুনায়ন ও পরীক্ষণ (Sampling and testing) এর উপর ব্যাপক জ্ঞান না থাকলে কন্ট্রোল চার্ট অর্থবহ হয় না ।
২। পরিসংখ্যানের (Statistics) উপর ব্যাপক জ্ঞান না থাকলে কন্ট্রোল চার্ট গুরুত্বহীন হয়।
৩। কন্ট্রোল চার্ট অঙ্কনের উপর পারদর্শিতা থাকতে হয়।
৪। কন্ট্রোল চার্ট উপস্থাপনের উপর সঠিক দক্ষতার প্রয়োজন হয় ।
৫। চার্টের কোন তথ্য ভুল হলে সমস্ত আয়োজনই বৃথা হয় ।