আজকে আমরা কাপড়ের গুণগত মান এবং পোশাকের গুণগত মানের মধ্যে সম্পর্ক আলোচনা করবো। যা টেক্সটাইল টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ৩ এর অ্যাপারেল কোয়ালিটি এর অন্তর্গত।

কাপড়ের গুণগত মান এবং পোশাকের গুণগত মানের মধ্যে সম্পর্ক (Co-relation between fabric quality and apparel quality)
গার্মেন্টস শিল্পে পোশাকের গুনাগুন নিয়ন্ত্রণ একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। এ গার্মেন্টস শিল্প থেকে মোট রপ্তানি আয়ের শতকরা ৭৬ ভাগ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। তাই এ শিল্পে ক্রেতার চাহিদা মোতাবেক গুণাগুণসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়া হয়। অন্যথায় কোম্পানির সুনাম ক্ষুণ্ণ হয় এবং প্রচুর আর্থিক ক্ষতি হয়।

একটি গুণগত মানসম্পন্ন পোশাক তৈরির জন্য একদিকে যেমন পোশাক তৈরির বিভিন্ন ধাপে উৎপাদিত দ্রব্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, অপরদিকে পোশাক তৈরির মূল উপাদান কাপড় এর গুণগত মানও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ের হতে হয়। তাহলেই একটি পোশাক গুণগত মানসম্পন্নভাবে তৈরি হয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়।
শুধুমাত্র কাপড়ের গুণগত মান খারাপের কারণে সঠিক মানসম্পন্ন প্রক্রিয়ায় তৈরি পোশাকের চূড়ান্ত মান নিম্নগামী হয়ে যায়। তাই দেখা যায় যে, পোশাকের গুণগত মানের সিংহভাগই নির্ভর করে উক্ত পোশাকের কাপড়ের গুণগত মানের উপর। কাপড়ে সাধারণত সুতার ত্রুটি, উইভিং এর ত্রুটি, ডাইং-প্রিন্টিং এর ত্রুটি এবং ফিনিশিং এর ত্রুটি দ্বারা ত্রুটিপূর্ণ তে পারে। অর্থাৎ কাপড়ের গুণগত মান খারাপ হতে পারে। উল্লিখিত প্রতিটি পর্যায়ে সঠিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কাত এগত মানসম্পন্ন অর্থাৎ ত্রুটিমুক্তভাবে তৈরি করা যায়।

এ মানসম্পন্ন কাপড় দ্বারা, কাপড় তৈরির সকল প্রক্রিয়ায় সঠিক গুণগত মান বজায় রেখে পোশাক তৈরি করা হলেই নগত মানসম্পন্ন পোশাক তৈরি হবে। তাই বলা যায় যে, পোশাকের গুণগত মান অনেকাংশে কাপড়ের পনের উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ কাপড়ের গুণগত মান ও পোশাকের গুণগত মানের মধ্যে বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।